India Bangladesh news: ভারতে হাসিনা! দিল্লি আসছেন তারেকের মন্ত্রী খলিলুর, ভারতের সঙ্গে কী নিয়ে হতে পারে কথা? জল্পনা..
খলিলুরের ভারত সফরে কী নিয়ে কথা হতে পারে?
২০২৪ সালের ৫ অগস্টে পতন হয়েছিল বাংলাদেশের তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের। রাতারাতি বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। আওয়ামি লিগের নেত্রী তথা তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এরপর থেকে ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর পদ্মা দিয়ে বয়ে গিয়েছে বহু জলরাশি। বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনুস দিয়েছেন সেদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব। তাঁর আমলে বাংলাদেশে একাধিক মামলায় দোষীর কাঠগড়ায় ওঠে হাসিনার নাম। সাজা শোনানোও হয়। এরই সঙ্গে ঢাকা বারবার দাবি করে, তারা হাসিনার প্রত্যর্পণ চায়। এবার বাংলাদেশের মসনদে আওয়ামি লিগের কট্টর বিরোধী দল বিএনপির তারেক রহমানের সরকার। আর সেই তারেক রহমানের মন্ত্রী খলিলুর রহমান আগামী সপ্তাহেই ভারতে আসছেন বলে খবর।
জানা যাচ্ছে, খলিলুর রহমানের এই সফর বেশ কিছু দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর সফরে ২০২৬-২০২৭ সালের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী খলিলুর রহমান, এই নির্বাচনের জন্য ভারতের সমর্থন চাইতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে। রহমান ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (UNCTAD) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে জাতিসংঘ সচিবালয়ে যোগদান করেন এবং জেনেভা ও নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মধ্যে বেশ কয়েকটি উচ্চ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
খলিলুর রহমান, তাঁর এই দিল্লি সফরের পরই যাবেন মরিশসে। তার আগে, দিল্লি সফরের প্রথমের দিকেই দিল্লিতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হতে চলেছে বলে খবর। খলিলুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের। এছাড়াও ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গে খলিলুরের সাক্ষাৎ হতে পারে।
ইরানে যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জ্বালানি, বিশেষ করে ডিজেল, সরবরাহের জন্য ঢাকার সাম্প্রতিক অনুরোধের বিষয়টি রহমান, দিল্লিতে উত্থাপন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে, জানা যাচ্ছে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, দিল্লি সফরে খলিলুরের সঙ্গে ভারতের প্রতিনিধিদের বৈঠকে উঠতে পারে তিন দশক পুরনো ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা জল চুক্তি। এই চুক্তি ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বর মাসে স্বাক্ষরিত হয়।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা জল চুক্তি (জিডব্লিউটি) হল, ফরাক্কা ব্যারেজের শুষ্ক মরশুমে (জানুয়ারি-মে) জলের জন্য একটি ৩০ বছর মেয়াদী, ৫০:৫০ ভাগাভাগির চুক্তি, যার মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। সেই চুক্তি পুনর্নবীকরণের আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, ভারতের তরফের কর্মকর্তারা বলেছেন, জলপ্রবাহের ওপর জলবায়ু সংকটের প্রভাব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভূমিকা এই চুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
Source: www.hindustantimes.com


